Ads


Powered by Blogger.

Electronic Media

Ads Bottom 1

Ads Bottom 2

Ads Bottom 3

Media communion
Ekattor TV or Ekattor news Television is the fourth news oriented satellite Television channel in Bangladesh. The Television Started their Journey “Songbad Noi Songzog”. They are planning to broadcast the latest news as soon as possible and earlier then all others. Ekattor news Television has the technology which technology World famous – expensive TV news channels are using the technology, and technology has ekattarao.
0
এটিএন সম্পর্কে কিছু কথা
বাংলা নামে যে একটি সমৃদ্ধ ভাষা আছে এই ভাষায় যে রচিত হতে পারে বিশ্ব মানের সাহিত্য, গল্প, কবিতা, উপন্যাস, এ কথা বিশ্ববাসীকে সর্বপ্রথম জানান দিয়েছিলেন বাঙালীর প্রাণ পুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এরপর দীর্ঘ যুগ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায বাঙালী পেয়েছে রাজনৈতিক পরিচয়, অভ্যূদয় ঘটেছে বাংলাদেশের। এই বাঙালী, বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা বিশ্বের বুকে সামগ্রীক পরিচয় তুলে ধরেছে এটিএন বাংলা।
স্যাটেলাইট এই দেশে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় ১৯৯৫ সালে, নতুন প্রযুক্তি, নতুন ধরণের বিনোদন। এদেশের মানুষ হুমড়ী খেয়ে পড়ে বিদেশী সংস্কৃতির টিভি চ্যানেলগুলোতে। বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করার মতো কোনো বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেল তখনও ছিলো না। চারিদিকে শুধু বিদেশী ভাষা আর সংস্কৃতির দাপট। আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন ভিন্ন শিক্ষায় বেড়ে উঠছিল।
১৫ই জুলাই ১৯৯৭, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বলতম দিন। বিশ্বব্যাপী প্রথম বাংলাভাষা সম্প্রচার ঘটলো স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার মাধ্যমে। তীক্ষ দূরদৃষ্টি সম্পন্ন চিন্তাশীল ভবিষ্যৎ প্রবক্তা ড. মাহফুজুর রহমান মাত্র গুটি কয়েক তরুণকে নিয়ে দিনের পর দিন পরিশ্রম আর অসাধ্য সাধনে নিয়োজিত হলেন। তিনি স্যাটেলাইটে পৌছে দিলেন বাংলা বিনোদন “মোদের গরব মোদের আশা, আ-ম-রি বাংলা ভাষা”, সারা বিশ্বের সকল মানুষের দুনিয়া ও আখেরাতের মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার, দুপুর ১২টা ৩০মিনিট থেকে ৩ ঘন্টাব্যাপী সাপ্তাহিক ইসলামী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। আজ ইসলামী অনুষ্ঠান অধিকাংশ মানুষকে উজ্জীবিত করেছে কোরআন ও সুন্নাহ্র আলোকে জীবন গড়তে।
১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ পরিকল্পনা আর যত লক্ষ্য করা গেল এটিএন বাংলায়। মে’ ১৯৯৯ পরিবর্তন ঘটলো প্রযুক্তিতে। এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর হলো সম্প্রচার কার্যক্রম। মিলেনিয়াম ২০০০ বিশ্বব্যাপী বাংলা সংস্কৃতি প্রচার-প্রসারে এক নবদিগন্ত উম্মোচিত করলো এটিএন বাংলা তার ইউরোপ সম্প্রচারের মাধ্যমে। ১৬ই আগষ্ট ২০০১ এটিএন বাংলা শুরু করে সংবাদ প্রচার আর ইংরেজী সংবাদ প্রচার শুরু হয় ১লা অক্টোবর ২০০২। ২০০৩ এর ডিসেম্বরে এটিএন বাংলায় তারুণ্য দীপ্ত ২৪জন টিভি সংবাদ কর্মী যোগদান করেন। একই বছর ইরাক যুদ্ধের উপর বিশেষ বুলেটিন দিয়ে শুরু হয় প্রতি ঘন্টার সংবাদ সম্প্রচার। ফলে এটিএন বাংলার সংবাদ হয়ে উঠে দেশের সেরা খবরের পিঠস্থান।
এটিএন বাংলার ইতিহাস হয়তো একদিন রূপকথার মত শুনাবে, শুনাবে এর স্বপ্নদ্রষ্টা ড. মাহফুজুর রহমানের কথা। ৮ বার জাতীয় রপ্তানী ট্রফি জয়ী ড. মাহফুজুর রহমান তাঁর স্বপ্নের প্রত্যক্ষ রূপ দিলেন, ছোট পর্দার অস্কার খ্যাত এ্যামি এ্যাওয়ার্ড অর্জন করে ছোটদের তৈরী “আমরাও পারি” অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২২শে নভেম্বর ২০০৪ সালে । ১৪ই মে ২০০৫ এবার শুরু করলেন স্থানীয় পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণ, যার শুরু ছিল “নবীন বরণ ও শাপলা শালুক গোল্ড মেডেল” প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। এরপর এটিএন তারকা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সঙ্গীত ও নাটকে ১০ জন করে ২০ জন শিল্পী তুলে আনে এটিএন বাংলা। ২০০৬ সালে এশিয়া অঞ্চল থেকে আঞ্চলিক এ্যামি এওয়ার্র্ড লাভ করে এটিএন বাংলা। মাহফুজুর রহমান এবার চাইলেন এটিএন বাংলাকে সরাসরি পৌছে দিতে সুদূর অষ্ট্রেলিয়ায়। স্বাক্ষর করলেন অষ্ট্রেলিয়া সম্প্রচারের চুক্তি । যার বাস্তবায়ন ঘটে ১লা আগষ্ঠ ২০০৭, এবছর ৪র্থ বারের মত এটিএন বাংলা এ্যামি’এ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পেলো ছোটদের জন্য নির্মিত “বাঁচার আশা” ডকুড্রাামার মাধ্যমে।
২০০৭ সালে বাংলাদেশের স্যাটেলাইটের প্রবক্তা পেলেন আরো যশ আরো খ্যাতি, সম্মান সূচক বিশ্বখ্যাত মাদার তেরেসা, অতীশ দীপঙ্কর পদক, মহাত্মা গান্ধী রিচার্স কাউন্সিল পদক, চাইল্ড ওয়েলফেয়ারসহ বহু পদক প্রাপ্ত হন ড.মাহফুজুর রহমান এবং এটিএন বাংলা। এবছরই দেশের সেরা চ্যানেল হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের স্থান করে নেয় “মিট দ্য প্রেস” এবং লিড নিউজ “ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরাম” জরিপে। ২০০৭ সালে এটিএন বাংলা শুরু করলো বাংলাদেশের আরেক ইতিহাস,“বি-লিগ ফুটবল খেলা, যা বাংলাদেশে প্রথম পেশাদার ফুটবল লিগ” তার সরাসির সম্প্রচার ঢাকা ষ্টেডিয়াম থেকে।
২০০৮ সাল, রাজনীতি, অর্থনীতি, সরকার ছাড়াও ঘরে বাইরে সমালোচকদের আলোচনার মূখ্য বিষয় এটিএন বাংলা এবং তার নিরপেক্ষ সংবাদ ও সাজানো গুছানো অনুষ্ঠানমালা। এবছর এটিএন বাংলা স্যাটেলাইট ব্যবহার করে লন্ডন থেকে বৈশাখী মেলা ও কনসার্ট সরাসির সম্প্রচার করে। একই বছর উপমহাদেশের দুই কিংবদন্তী সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব বাপ্পী লাহিড়ী ও মান্না দে ঢাকায় আসেন এটিএন বাংলার আমন্ত্রণে। ২০০৮ এটিএন বাংলা নিজেকে ধন্য ও সমৃদ্ধ করে ‘সাদা মনের মানুষ’ এর সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরে। একই বছর আলোড়ন সৃষ্টি করে ‘ম্যাজিক তিন চাকার তারকা’ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ রিক্সাওয়ালাদের সঙ্গীত প্রতিযোগিতা আযয়োজন করে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশী বিদেশী ইভেন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাটেক্সপো নাইটস্, থিম পার্ক নন্দনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন কনসার্ট, সনু নিগম কনসার্ট এবং ইত্তেফাক-ফ্যান্টাসী কিংডম তথা কনকর্ডের সঙ্গে বিউটি কনটেষ্ট ষ্টাইল আইকন ২০০৮ এর আয়োজন উল্লেখযোগ্য। আর ২০০৮ সালে বহুল প্রতিক্ষীত জাতীয় নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ডজন খানেক ষ্টুডিও ব্যবহার করে প্রচার ও ফলাফল প্রকাশ ছিল অন্যতম প্রশংসার দাবিদার।
২০০৯ সালে এটিএন বাংলা সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে বি.ডি.আর ট্র্যাজেডির রিপোর্ট গুলো অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গ্রহণযোগ্য আকারে দেশবাসির কাছে তুলে ধরে। এছাড়া একই বছর বাংলাদেশের কোন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল হিসেবে সুদুর চট্রগ্রাম থেকে পৃথিবীর ২য় অফিসিয়াল টি-২০ ক্রিকেট গ্র্যান্ড ওপেনিংসহ সেমিফাইল ও ফাইনাল খেলা সরাসরি সম্প্রচার করে। এছাড়া বন্দর নগরী চট্রগ্রাম থেকে বৈশাখী মেলা ৪ঘন্টাব্যাপী সরাসরি সম্প্রচার এটিএন বাংলার উল্লেখযোগ্য দিক। এটিএন বাংলার সংবাদে যদি ফিরে তাকাই, দেখি মগবাজারে রেল ট্র্যাজিডি! কিভাবে এটি একটি ইমাজিন ভিডিও হিসেবে দর্শকদের সামনে ধড়া পড়েছে। এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান বিভাগ চলছে একইভাবে সমান তালে। ২০০৯ সালে মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র জয় করে নিয়েছে সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক বজলুর রহমার স্মৃতি পদক “মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব বিবেক, মুক্তিযুদ্ধ ও ১৪ই ডিসেম্বর, বধ্য ভূমি ৭১” শিরোনামে অুনষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করে। এবছরই ড. মাহফুজুর রহমান বাঙ্গালীর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতাকে নিয়ে নির্মাণ করলেন সঠিক ও সত্য নির্ভর তথ্য চিত্র ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ এটা যেন বাঙালীর চির আকাংখার এক প্রতিফলন। এর পাশাপাশি দেশী-বিদেশী শিল্পীদের অংশগ্রহণে চলে একাধিক কনসার্ট, অনুষ্ঠান। প্রচার হয় একাধিক ট্যালেন্ট হান্ট স্কুল ভিত্তিক টাটকা ন্যাশনাল ডান্স ষ্টার, শাহ সিমেন্ট নির্মাণের তারকা, চাষী তারকা, এসিআই পিওর চ্যাম্পিয়ন কুক এরমধ্যে অন্যতম। এবছরই এটিএন বাংলার আমন্ত্রণে বাংলাদেশ এসেছিলেন বিশ্ব বরেণ্য সঙ্গীত ও গজল শিল্পী পঙ্কজ উদাস, শানসহ আরো অনেকে।
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এর আয়োজনে ২০০৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ১১তম এস.এ গেমস্। এটিএন বাংলা এস এ গেমস এর ক্রিকেট ম্যাচ রাজশাহী ও ঢাকার শের-ই বাংলা জাতীয় ষ্টেডিয়াম থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে। এছাড়া খুলনা থেকে সাইক্লিং এবং সিলেট থেকে উষূ ধারণ করে প্রতিদিন প্রচার করে। এর আগে পিসিএল সফলভাবে শেষ করার পর সিদ্ধান্ত হয়, পরবর্তী টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে সুদূর শারজাহ থেকে। এটিএন বাংলা ব্রডকাষ্ট পার্টনার হিসেবে সুদুর শারজাহ থেকে টুর্ণামেন্টের ১৫টি খেলা নিজস্ব কারিগরি ব্যবস্থাপনায় সরাসরি সম্প্রচার করে যা দর্শকদের মাঝে খুবই সাড়া ফেলে। একই সাথে প্রশংসিত হয় এটিএন বাংলা।
বাংলাদেশের প্রথম প্রফেশনাল টি২০ ক্রিকেট টূর্ণামেন্টের আরো ১৫টি ম্যাচ মিরপুর ষ্টেডিয়াম থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে এটিএন বাংলা। এছাড়া ৪০ওভারের প্রমিলা ক্রিকেট লিগ, ত্রিদেশীয় ক্রিকেট লীগ এবং লংগার ভার্সন ক্রিকেট সরাসরি সম্প্রচারের অভিজ্ঞতা অর্জন করে ২০১০ সালে। ২০১১ এবং ২০১২ সালেও বেশ কিছু খেলা সারাসরি সম্প্রচার করে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম থেকে। আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইং ম্যাচ, বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট সিরিজ দর্শকাদের নজর কাড়ে। শুধুৃ ক্রিকেট নয়, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্ট, জাতীয় স্কুল ফুটবল টুর্ণামেন্ট, জাতীয় ফুটবল লীগ, হকি লীগ, মহিলা ও পুরুষ কাবাডি, ব্যাডমিন্টন সহ বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের অধিকাংশ খেলাই এটিএন বাংলা সরাসরি সম্প্রচার করে আসছে।
২০১১ সালে আইসিডিবি রিজিওনাল এ্যাওয়ার্ড এবং একই বছরে বিশেষ আইসিডিবি (গ্লোবাল এ্যাওয়ার্ড) অর্জন করে এটিএন বাংলা। ২০১১ সালের অন্যতম অনুষ্ঠান ‘বিগ শো’ বিভিন্ন স্থান থেকে লাইভ শো অন্যতম। প্রতি বছরের মতো ২০১২ সালে বিশেষ দিবসসমুহে এটিএন বাংলা প্রচার করে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। ধারাবাহকি নাটকগুলো এসেছে চমকপ্রদ পরিবর্তন। ২ মার্চ থেকে শুরু হয় ১০ জন প্রবাসী তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে রিয়েলিটি শো ফরগটেন রুটস, যা শেষ হয় ১৫ই জুলাই। এই অনুষ্ঠানে ১০ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ পুরস্কার লাভ করেন প্রথম স্থান অধিকারী। সমাজের দুস্থ ও অবহেলিতদের কথা, ইংল্যান্ড, ইউরোপসহ পুরো বিশ্বের কাছে পৌছে দেবার জন্য ২০১২ সালে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান অর্জন করেন লন্ডনের এশিয়ান ভয়েজ পত্রিকা কর্তৃক সম্মান “এশিয়ান ব্রডকাস্টার অব দ্য ইয়ার-২০১২।

সম্মান আর অভিজ্ঞতাকে সঙ্গীকরে নতুন অনুষ্ঠানের সমন্ব্যয়ে আর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে এটিএন বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। এই যাত্রায় দর্শক পাবেন নতুনত্বের ছোয়া এবং নিয়মিত খেলাধুলা তো থাকবেই আপনাদের জন্য। এসব খেলা, সংবাদ আর বিনোদনের ছোয়া পেতে সকল শ্রেনীর দর্শক থাকবেন এটিএন বাংলার সাথে। এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।
0
We have the pleasure to introduce ourselves as the most popular television network in the private sector in Bangladesh. Ekushey Television was incorporated on 01 July, 1998 as private limited companies under Companies Act 1994 and registered with the Registrar of Joint Stock Companies of Bangladesh. With the backing of a leading group of Bangladesh Industrialists and businessmen, investors in Europe and America and international financial agencies, Ekushey Television has a vast expansion programme covering the needs of urban as well as rural audience, home and aboard, creating enormous employment opportunities, helping the development of backward linkage industries and imparting information and news, opening up new avenues of employment to the people of Bangladesh. Ekushey Television would, thus, ultimately be a propeller of economic development of the country.

In the new millennium, television will emerge as the single most important medium nor information at our disposed Consequently, the plans for Ekushey Television are based not only a sound business rationale but also on our commitment to the future welfare and growth of Bangladesh and the need to project and promote its image, both at home and abroad. Above all, it is based on the need to educate as much as to entertain people of this country and to ensure that Bangladesh can keeping step with a fast-moving world.

We believe too that there is an all-important link between the successful commercial management of a new station and sustainable schedule of innovative, quality programme making. Our approach is evolutionary. We also believe that the growth and development of Ekushey will stimulate a significant improvement in the standard of programme production in Bangladesh, and the television and radio industry as a whole. It will enhance skills, provide jobs, encourage, and establish fresh horizons for the future.

Our plans are firmly set in the development of these ideas, as well as in an effective and comprehensive programming strategy designed to work not only for the important urban audiences, but also in meeting the special needs of the rural areas of Bangladesh. Careful audience research throughout the country and an evaluation of the requirements and objectives of advertisers, as well as common sense, all point to quality choice and popularity as the key to success.

Our aim is to reach most of the people, most of the time and to be visited and important presence in every corner of Bangladesh; and, in the longer tern, to touch the Bangla speaking population throughout the region.

The realism of our plans should be judged by the care and consideration with which we are tailoring them to suit the real needs of Bangladesh; and the creative and management talent of the people we will bring together to carry them out.

Our plans should be judged too by the strength of the financial resources that will underpin them. The Business plan for Ekushey Television has been thoroughly and prudently conceived; its success does not rest on over-optimistic expectations for the economy or our projected share of audience and advertising revenue.

Ekushey’s plans are based on a commitment to change. The Chairman and Management of Ekushey believe that the Network will not only entertain and inform, but also stimulate growth, enhance skills, provide jobs and inspire fresh horizons for young people everywhere in the country. This is also our social commitment.
OPERATION THE TELEVISION STATION
A TELEVISION STATION FOR A NEW ERA OF BROADCASTING IN BANGLADESH

Ekushey is a custom-designed, modern television station built around a public service broadcasting frame, will be operating from a sound commercial base.

Ekushey is mainly a Bangla-language station transmitting a balanced schedule of news & current affairs, entertainment, drama, films, musical programmes, talk show, telefilms, educational & social affairs, documentaries, foreign cartoons, fillers, documentaries, live & sports and skills development programmes from its headquarters in Dhaka, with plans to broadcast round the clock.
TECHNICAL FACILITIES

High standards, Reliability and Proper Management is central to Ekushey’s Technical Plan.

Ekushey has installed a production and broadcast facility that meets the best international standards, but not the extent that it becomes so sophisticated as to be unnecessary and insupportable. However broadcasting level is comparable with other quality Asian Broadcasters.

The facilities of Ekushey Television have been designed around the following set-ups:

    A three-camera multipurpose Studio
    A single-camera studio
    A total of fifteen ENG Camera units and two-camera satellite OP unit
    A total of fifteen Editing suites- including tow linear suites
    An audio post production suite with camera units
    A voice dubbing facility suite
    A digital on-line graphics facility with design suite
    A multiformat tape and transfer broadcast suite
    A studio gallery with lighting, vision and audio control (PCR)
    A 20 station computerized Newsroom
    An automated video-tape library
    Play out Automation system
    Network control gallery

It is a fully digitized station originating its own live and pre-recorded programmes, as well as commissioning from outside producers.

All the machinery is fully supported by its own uninterrupted power supplies (UPS).

In house, our aim is to maintain high levels of technical efficiency and reliability and to allow for creative and dynamic news presentation and programme production. The skilled management of these facilities is therefore paramount.

There is an agreement with BBC Worldwide to advice on all technical matters. BBC has advised on the installation of the network’s production, broadcast and transmission equipment.
ADMINISTRATION
CAREFUL PLANNING IS ESSENTIAL FOR THE SUCCESS OF EKUSHEY TELEVISION

The company has its headquarter at the Jahangir Tower, 10, Kazi Nazrul Islam Avenue and opposite to Hotel Sonargaon , occupying the top four floors and the roof, to a total of approximately 45,000 sq. ft.

This site has been chosen for both its technical suitability and its location, especially because it gives Ekushey Television a good access to the Parliament, The Prime Minister’s Office, and most of the Government Ministries, as well as being close to business, financial and cultural heart of the city.

The seventh floor is for administrative offices: management; programme and production staff; finance; sales & marketing; personnel and clerical staff.

The eighth floor is for additional post-production facilities; an automated video tape library and offices and workshops for the engineering staff.

The Ekushey Studio, broadcast and post-production facilites, as well as the newsroom and all the necessary supports and technical service areas occupy the ninth floor of the building.

There is a staff restaurant on the tenth floor. The roof is for air conditioning plant, its up- link facilities and all necessary satellite dishes and antennae.

At present there are 500+ staff working with ETV, employed in:

    Management and administration
    Programming & Production
    Broadcast & Engineering
    Finance
    Sales & Marketing
    Graphics
    News and current affairs
    Human resources Development
    Business Development & Corporate Strategy.

PROGRAMME PRODUCTION
PROGRAMME POLICY

At the heart of Broadcast, strong blend of contemporary, quality entertainment, as well as news and educational programming designed to reach a nation-wide audience of all ages and interests.

The company intends to create a successful balance in its scheduling to make sure it becomes a television station of record, reliability and repute. In that, it considers News and Current Affairs and related informational and Educational programmes, such as documentaries, to be of particular relevance.

Ekushey Television will be paying special attention to help meet these needs: projecting life and change not only to the people of Bangladesh, but also to a watching world.

New types of programmes are being created that will cater for certain segments of the viewing public who have been largely ignored in the past.

Ekushey Television believes that new “Prime Time” (Peak-viewing periods) can also be created and that the audience, and therefore the advertising, is there to support them.
0
ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশন চ্যানেল লি. (এনটিভি)
‘সময়ের সাথে আগামীর পথে’ এই স্লোগানে বাংলা ভাষা আর সংস্কৃতিকে ধারণ করে ৩ জুলাই ২০০৩ সালে আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী প্রতিষ্ঠা করেন দেশের প্রথম অটোমেশন-ভিত্তিক যুগোপযোগী বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশন চ্যানেল লি. (এনটিভি)।
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই বাংলাদেশ। সুখী, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বাংলার আপামর জনসাধারণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। ৩০ লাখ প্রাণ, বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা। দেশের দিগন্তে উদিত হয়েছে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। তবে দেশ গড়ার সংগ্রাম চলছে এখনো। আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের দেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সমাজের চিন্তা, তথ্য, মত ও আলোচনা-সমালোচনার অবাধ প্রবাহ। প্রয়োজন নীতিভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও সর্বোচ্চ মানের পেশাদারি সাংবাদিকতা। দেশের সেই সংগ্রামের সারথী হতে এনটিভি অঙ্গীকারবদ্ধ।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে ধারণ করেএনটিভি একঝাঁক তরুণ নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে কোটি দর্শকের কাছে বস্তুনিষ্ঠসংবাদ ও মানসম্মত অনুষ্ঠান তুলেধরছে। আদর্শ, নীতি, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা প্রচার করি সংবাদ ওঅনুষ্ঠান। নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এনটিভির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আমরা পক্ষপাতহীন সংবাদও অনুষ্ঠানে বিশ্বাসী।
শুধু সংবাদ নয়,সমসাময়িক ঘটনা, আলোচনা অনুষ্ঠান, প্রামাণ্যচিত্র, খেলাধুলার খবর, ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির খবর এনটিভি সম্প্রচার করে আসছে।এনটিভি প্রতিদিন ভিন্নধর্মী বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে বিশ্বাসী।বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে নির্মিত এনটিভির নাটক, টেলিফিল্ম, সংগীতানুষ্ঠান, ধর্মীয় অনুষ্ঠান,কেরাতপ্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান, কুইজ ও ভ্রমণবিষয়ক শো ব্যাপক জনপ্রিয়।ঈদ উৎসব, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসের মতো বছরের বিশেষ দিনেব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান দর্শকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করে এনটিভি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সাড়াজাগানো রিয়েলিটিশো ক্লোজআপ ওয়ান এনটিভিতে সম্প্রচারিত হয়। ওই সময় মানুষের মুখেমুখে ছিল ক্লোজ আপতারকাদের গান।এছাড়া মার্কসঅলরাউন্ডার, সুপারহিরো সুপারহিরোইন, বিজিদেরইজিশো, হাশো ও ব্যাপকজনপ্রিয়তা লাভ করে।
মানুষের অপার আগ্রহ আর আস্থা-ভালোবাসায় খুব দ্রুতই এনটিভি পরিণত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যেমন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে সম্প্রচারিত হয় এনটিভি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকদের আশা পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
টিভির পাশাপাশি এনটিভি অনলাইন বিশ্বের যেখানে যখনই কোনো ঘটনা ঘটছে, তখনই সেটি তুলে আনছে। টেলিভিশনযেমন তাৎক্ষণিক এনটিভি অনলাইনও তেমন। অনলাইনের খবর পৌঁছে যাচ্ছে পাঠকের কাছে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, কিংবা স্মার্টফোনে। এনটিভি অনলাইনে ভিডিও, ছবি দেখা যাবে। সাথে সাথে ফেসবুক, টুইটার, জি-প্লাসসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও পাওয়া যাবে এনটিভির সর্বশেষ সংবাদ। পৃথিবীর সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে এনটিভি অনলাইনের ওয়েবসাইট। এতে খবর, ছবি এবং অডিও-ভিডিও, অর্থাৎ মাল্টিমিডিয়ার সংযুক্তি এক কথায় অনন্য। এছাড়া অনলাইনে পর্যায়ক্রমে পাওয়া যাবে এনটিভির ১২ বছর ধরে আর্কাইভে থাকা সব অনুষ্ঠান। যা কিছু আনন্দ দেয়, উৎসাহ জাগায়, বেদনাহত বা বিস্মিত করে, প্রশ্ন ওঠায়, স্বস্তি দেয় তার সবকিছুই আমরা সবার সামনে তুলে ধরতে কাজ করে চলেছি অবিরাম।
এছাড়া সেবামূলক কার্যক্রমে রয়েছে এনটিভির অনন্য দৃষ্টান্ত। চ্যারিটি ফান্ডের মাধ্যমে এনটিভি শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকে। তাছাড়া প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও পুনর্বাসনে অংশ নেয় চ্যানেলটি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নির্মাণ করে স্কুল। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এনটিভি ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের প্রথম টিভি চ্যানেল হিসাবে ‘আইএসও ৯০০১:২০০৮ সনদ লাভ করে। এরই মধ্যে এনটিভি পেয়েছে দেশ ও দেশের বাইরে বহু পুরস্কার।
তরুণ প্রজন্ম, আগামীর পৃথিবীর জন্য আমরা একটি বস্তুনিষ্ঠ, উন্নয়নকামী গণমাধ্যম গড়ে তুলছি। নীতির প্রশ্নে আমরা সব সময়ই আপসহীন ছিলাম, আছি, থাকব। সত্যনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপন ও বস্তুনিষ্ঠ বিনোদন দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। সময়, ইতিহাসকে সাক্ষী করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। এনটিভি দেশ ও জনগণের টেলিভিশন। এনটিভি আপনার টেলিভিশন। আপনার সহযোগিতা, মতামত নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর। আপনার সুচিন্তিত মতামত আমাদের সমৃদ্ধ করবে সব সময়।
পরিচালনা পর্ষদ
আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী
চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক

আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশন চ্যানেল লি. (এনটিভি)-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ইতিবাচক রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজসংস্কার ও সংস্কৃতিরক্ষার নিরলস কর্মী তিনি। ছিলেন ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। দায়িত্ব পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে রয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বিমা খাতের যুগান্তকারী কিছু প্রকল্পে তিনি অর্থায়ন করেছেন। নতুন নতুন এবং সম্ভাবনাময় শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে আন্তসম্পর্ক তৈরিতে রয়েছে তাঁর বিশাল অবদান। পথশিশুদের লালন-পালন, উন্নয়নসহ সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে রেখেছেন অগ্রণী ভূমিকা। এই পথপরিক্রমায় তিনি সাভার আব্দুল মান্নান ডিগ্রি কলেজ ও খালেদা জিয়া ওল্ড হোমের প্রতিষ্ঠাতা।
আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলীর জন্ম বাংলাদেশের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে, ১৯৬০ সালের ৭ এপ্রিল। পড়াশোনা করেছেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় সিকিউরিটিজ কোম্পানি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন। এরপর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তিনি আরো অনেক শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। সাথে সাথে তিনি ঢাকা-সাংহাই সিরামিকস, এমএএইচ সিকিউরিটিজ, রোজা প্রপা‍র্টিজ, রোজা ইন্ডাস্ট্রিয়াল, রোজা অ্যাগ্রো, কক্সবাজারের দ্য কক্স টুডে লিমিটেডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম বড় আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তিনি। বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর কার্যক্রমে বহু দেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন আলহাজ্ব মোসাদ্দেক আলী।
সিরামিকস শিল্পে চীনের সাথে তাঁর যৌথ বিনিয়োগ রয়েছে। ব্যবসা ও বিনিয়োগে সব সময়ই সৃজনশীলতা আর দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন আলহাজ্ব মোসাদ্দেক আলী। আর এ অগ্রযাত্রায় তিনি ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, বেল কন্সট্রাকশন, রাকিন ডেভেলপমেন্ট, স্টার পোরসেলিন প্রাইভেট লিমিটেড, এসএম আবাসন লিমিটেড এবং আশালয় হাউজিং লিমিটেডের ডিরেক্টর পদে আসীন হন। পরবর্তীকালে তিনি ব্রাদারহুড এন্টারপ্রাইজ, ব্রাদারহুড সিকিউরিটিজ, ব্রিলট্রেড ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্রিলট্রেড, ব্রিলট্রেড কালার কোট লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন। সমাজসেবায় অনন্য ভূমিকায় তিনি শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল-এর ভাইস চেয়ারমান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দেশের সম্প্রচার খাতেও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয় তাঁর হাত ধরেই। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন অত্যন্ত ডায়নামিক একটি টেলিভিশন ব্রডকাস্টিং কোম্পানি।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও বিনিয়োগকারী আলহাজ্ব মোসাদ্দেক আলী। ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশন চ্যানেল লিমিটেড বা এনটিভি ছাড়াও দেশের মানুষের জন্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও চিত্তবিনোদনের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন আরটিভি। এ ছাড়া দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পত্রিকা আমার দেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আমার দেশ পাবলিকেশন্স-এর চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।
ডিজিটাল এই যুগে সব ধরনের পাঠক যাতে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল কিংবা স্মার্টফোন থেকে তাৎক্ষণিক খবর, ভিডিও, ছবি দেখতে পারে সে জন্য এনটিভি প্রতিষ্ঠার ১২ বছরের লগ্নে এনেছেন এনটিভি অনলাইন।
খেলাধুলার উন্নয়নেও সব সময় সচেষ্ট আলহাজ্ব মোসাদ্দেক আলী। দেশের তরুণ ও পেশাদার খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্বমানের পরিবেশ তৈরিতে ক্রীড়াজগতে তিনি রেখেছেন বিশেষ অবদান। সবচেয়ে পুরোনো এবং জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাব মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন দী‍র্ঘদিন। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য। এ ছাড়া কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব, রাইফেলস ক্লাব, ঢাকা ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, গুলশান ক্লাব ও অল কমিউনিটি ক্লাবের সদস্য তিনি।
অবসরে আলহাজ্ব মোসাদ্দেক আলী বই পড়েন, বই লেখেন। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে পবিত্র কোরআনের দৃষ্টিতে মানবজীবন, বাংলাদেশ ইন ডেভেলপমেন্ট, প্রসপারাস বাংলাদেশ ইত্যাদি। এ ছাড়া বাংলা উচ্চারণ এবং বাংলা ও ইংরেজি অর্থসহ ৩০ খণ্ডে ৩০ পারা কোরআনের প্রকাশক তিনি।
মোহাম্মদ ইউনুছ
পরিচালক

বিশিষ্ট শিল্পপতি। দেশের শিল্প খাতে ৩৭ বছর ধরে অবদান রেখে চলেছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন ইউনুছ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, হিমাগার, কাগজ কল, স্পিনিং মিল, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান। দেশের গণমাধ্যমেও রয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এছাড়া ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভা‍র্সিটির ট্রাস্টি বো‍র্ডের সদস্য তিনি।
মাহবুবা সুলতানা
পরিচালক

বাংলাদেশের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৬৭ সালে জন্ম মাহবুবা সুলতানার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন। ঘুরেছেন বিশ্বের বহু দেশ। এনটিভি ছাড়াও তিনি রোজা এগ্রো লিমিটেড এবং এমএএইচ সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালক।
নুরুদ্দীন আহমেদ
পরিচালক

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবী। জন্ম ১৯৫৪ সালের ১৫ আগস্ট মাসে। দেশের শিল্পখাতে রয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য, একইসঙ্গে সংগঠনটির নি‍র্বাহী কমিটির সদস্যও। তিনি বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেছেন পাঁচবার। যুক্ত আছেন ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে।
আকলিমা বিলকিস
পরিচালক

ব্যবসায়ে সফল নারীদের মধ্যে অন্যতম আকলিমা বিলকিস। তাঁর জন্ম ১৯৬২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। দেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তিনি যুক্ত হয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশন চ্যানেল লিমিটেডের সঙ্গে।
সৈয়দা শামিলা তাবাসসুম
পরিচালক

পড়াশুনা করেছেন ইংরেজি সাহিত্যে। তবে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ব্যবসা। আপন দক্ষতায় অল্প সময়েই পৌঁছেছেন সাফল্যের চূড়ায়। ১৯৭৩ সালের ২৩ আগস্ট মাসে জন্ম নেওয়া সৈয়দা শামিলা তাবাসসুম বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে বিশ্বমানে উন্নীত করার স্বপ্ন দেখেন।
মো. শহীদুল হক
পরিচালক

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ঢাকার বাসিন্দা। জন্ম ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০। গণমাধ্যমের প্রতি রয়েছে তার বিশেষ আগ্রহ। নীতিভিত্তিক পেশাদার সংবাদমাধ্যম তৈরির জন্য নিরলস কাজ করে চলেছেন। তিনি অটোমোবাইল ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন।
মো. মোস্তফা সারোয়ার
পরিচালক

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জের বাসিন্দা। জন্ম ৩১ ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে। স্নাতক শেষে ব্যবসায় যুক্ত হন। সততা, সৃজনশীলতা আর অসাধারন দক্ষতায় অল্প সময়েই লাভ করেন ঈর্ষনীয় সাফল্য। তিনি হোটেল ব্যবসায় তিনি সঙ্গেও সম্পৃক্ত।
মো. আশফাক উদ্দিন আহমেদ
পরিচালক

লন্ডনের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে ব্যবসায় প্রশাসন নিয়ে পড়াশুনা করেছেন। ১৯৮৬ সালের ৮ মার্চ জন্ম নেওয়া এই তরুণ ব্যবসায় যুক্ত হয়ে এরই মধ্যে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি এমএএইচ সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এছাড়া পিপলস সিটি কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, রোজা প্রোপা‍র্টিজ লিমিটেড, দ্য কক্স টুডে লিমিটেডের পরিচালক তিনি।
0
আমাদের কথা
‘আজ এবং আগামীর’ স্লোগান নিয়ে ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করে আরটিভি। বর্তমানে বেসরকারি এ চ্যানেলটি দর্শকপ্রিয়তায় শীর্ষস্থানে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও মানসম্মত বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের জন্য সবার কাছেই সমাদৃত আরটিভি। একসময় প্রিন্ট মিডিয়া গণমাধ্যম হিসেবে সবার কাজে প্রিয় ছিল। অবশ্য তখন প্রিন্ট মিডিয়াই ছিল সবার গণমাধ্যম। সময়ের বিবর্তনে সব কিছুই এগিয়ে চলেছে। পরির্তন এসেছে গণমাধ্যমেও। বেতার তরঙ্গ, ভিজুআল মাধ্যম টেলিভিশন সব কিছুতেই মানুষ আকৃষ্ট হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ধ্যান-ধারণাও পাল্টেছে। মানুষ এখন চায় সব তথ্য-বিনোদন সহজেই হাতের মুঠোয় পেতে। নিজের মত করে। নিজের সুযোগ-সুবিধা মত। আর তথ্য ও বিনোদন একসঙ্গে একটিমাত্র পোর্টালের মধ্যে পেলে তো কথাই নেই।
গণমানুষের এ আকাঙ্খা ও ইচ্ছের প্রতিফলন ঘটেছে গণমাধ্যমেও। আরটিভিও দেশে-বিদেশে তার কোটি কোটি দর্শক ও পাঠকের জন্য টিভি স্ক্রিনের পাশাপাশি আধুনিক ধারণা নিয়ে চালু করেছে অনলাইন ভার্সন www.rtvonline.com যা পুরো আরটিভিরই প্রতিনিধিত্ব করছে। অর্থাৎ এক পোর্টালের মধ্যেই পুরো আরটিভি।
আমাদের লক্ষ্য
নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এবং মানসম্মত অনুষ্ঠানে www.rtvonline.com আপোসহীন। এজন্যই পাঠক ও দর্শকের হৃদয়ে আমাদের অবস্থান শীর্ষে থাকবে সব সময়। দেশ ও দেশের বাইরে যেখানেই ঘটনা সেখানেই আমরা নিয়ে যাচ্ছি আপনাদের। মানুষ তার হাতের মুঠোয় থাকা সেলফোন, ট্যাব, নোটপ্যাড, ল্যাপটপ অথবা পিসি থেকেই একই সঙ্গে পড়তে ও দেখতে পাবেন যে কোন সংবাদ, আরটিভি লাইভ, আরটিভির অনুষ্ঠান।
আমরা কারা
www.rtvonline.com বেঙ্গল মিডিয়া কর্পোরেশন লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে কাজ করছেন অভিজ্ঞ ও প্রতিশ্রুতিশীল নবীণের সমন্বয়ে একঝাঁক আত্মবিশ্বাসী অগ্রগামী সংবাদকর্মী। যাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রতিনিয়তই নতুন, আকর্ষনীয় তথ্য তুলে এনে দর্শক-পাঠকদের তথ্য চাহিদা মেটানো।
কেন আমরা
স্বভাবতই প্রশ্ন দেখা দেয় এতো অনলাইন মিডিয়া থাকতে আরটিভি কেন অনলাইন ভার্সনে এসেছে। প্রথমত এতো টেলিভিশন চ্যানেলের মাঝে আরটিভি সবদিক থেকে একটি স্বতন্ত্র অবস্থানে রয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও মানসম্মত অনুষ্ঠানের জন্য আরটিভির প্রতিদ্বন্দ্বী শুধু আরটিভিই। একই কাজ করবে আরটিভি অনলাইনও। দ্বিতীয়ত দেশের অধিকাংশ অনলাইনে সংশ্লিষ্ট সংবাদের স্থিরচিত্রই দেয়া হয়। দ্রুতগতির ইন্টারনেটের যুগে পাঠক চায় সংশ্লিষ্ট সংবাদের ভিডিও দেখতে। আরটিভি অনলাইন পাঠকের সেই চাহিদাও পূরণ করছে। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেকোন সময়ে পাঠক www.rtvonline.com এ দেখতে পারবেন। অগ্রসর মানুষের নিত্য তথ্য-বিনোদন সঙ্গী www.rtvonline.com
0
বিবিসি রেডিও থেকে বাংলা সম্প্রচারের শুরু ১১ই অক্টোবর, ১৯৪১।
গোড়াতে সপ্তাহে ১৫ মিনিটের অনুষ্ঠান দিয়ে যাত্রা শুরু করে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের অধীন বাংলা বিভাগ থেকে এখন প্রতিদিন মোট দু'ঘন্টার অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। বাংলা বিভাগ থেকে প্রচারিত সংবাদ ও সাময়িক প্রসঙ্গের অনুষ্ঠানের উন্নত মান ও বিশ্বাসযোগ্যতার সাক্ষী বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে প্রায় ৭৩ লক্ষ শ্রোতা। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, দূরপ্রাচ্য, আমেরিকা এবং ইওরোপের বহু শ্রোতা এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিবিসির বাংলা অনুষ্ঠান শোনেন।
বিবিসি বাংলা বিভাগের চারটি অধিবেশনে প্রতিদিন থাকে মূলত সংবাদ নির্ভর অনুষ্ঠান এবং খেলাধূলার খবর। থাকে নানা ধরনের ম্যাগাজিন এবং সংবাদপত্রের পর্যালোচনা। এছাড়াও থাকে শ্রোতাদের চিঠিপত্রের আয়োজন এবং তাদের মতামতের ভিত্তিতে বিতর্ক ও লাইভ ফোন-ইন অনুষ্ঠান।
বিবিসি বাংলা বিভাগের কর্মকান্ড পরিচালিত হয় লন্ডনে নিউ ব্রডকাস্টিং হাউজের সদর দপ্তর থেকে। ঢাকা, দিল্লি এবং কলকাতায় আমাদের নিজস্ব ব্যুরোতে কর্মরত সংবাদদাতারা ছাড়াও লন্ডনে বিবিসি অফিসে কাজ করছেন একদল সাংবাদিক/প্রযোজক।
এছাড়াও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছেন বিবিসির বহু সংবাদদাতা। তাদের পাঠানো তরতাজা প্রতিবেদন, তথ্য, বিশ্লেষণ ইত্যাদি আমাদের অনুষ্ঠানে নিয়মিতভাবে পরিবেশন করা হয়।
0

Blogger Templates By Templatezy & Copy Blogger Themes. Distributed By Protemplateslab